আবদুল মুমিত কি বেঁচে আছেন?


গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি :: ইউরোপে পাড়ি দেওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ঘর ছেড়েছিলেন উপজেলার চন্দরপুর এলাকার বানিগাজী গ্রামের মৃত আমির উদ্দিনের ছেলে আবদুল মুমিত। ৬ মাস ধরে তার কোনো খোঁজ পাচ্ছেন না পরিবারের লোকজন। সর্বশেষ ২০১৯ সালের ২৯ জুন আব্দুল মুমিতের সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যদের ফোনে কথা হয়। তখন তিনি ছিলেন ইরান-তুরস্ক সীমান্তে। এরপর আব্দুল মুমিত কোথায় গেছেন? কীভাবে আছেন? আদৌ বেঁচে আছেন কিনা- এ নিয়ে সন্দিহান তার পরিবারের লোকজন। এ নিয়ে পরিবার রয়েছে অজানা উদ্বেগ-আতঙ্কে।
জানা গেছে, আব্দুল মুমিত তুরস্কে যাওয়ার জন্য প্রথমে দুবাইয়ে পাড়ি জমান। এরপর তিনি পড়েন দালালের খপ্পরে। ইউরোপের দেশ তুরস্কে যাওয়ার জন্য দালালরা তাকে নিয়ে যায় ইরানে। ইরানের উরুমিয়া সীমান্তে যাওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি তার পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করলেও গত বছরের ২৯ জুন থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। সর্বশেষ ২৯ জুন আব্দুল মুমিতের সঙ্গে ফোনে কথা হয় তার ভাই ফ্রান্স প্রবাসী জুনেদ আহমদের সাথে। এ সময় আব্দুল মুমিত ইরানের উরুমিয়া সীমান্তে অবস্থান করছিলেন বলে জানিয়েছিলেন। পরের দিন তার তুরস্কে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এরপর থেকে আব্দুল মুমিতের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ রয়েছে তখন থেক
জুনেদ আহমদের ভাষ্য, তার সঙ্গে ইরানে অবস্থানরত হবিগঞ্জের বাসিন্দা দালাল আব্দুল মালিক ও ওমানে অবস্থানরত গোলাপগঞ্জের ফুলসাইন্দ এলাকার দালাল জসিম উদ্দিন প্রথমে জানায়, আব্দুল মুমিতকে তুরস্ক পুলিশ আটক করে জেলে রেখেছে। সে মুক্তি পাওয়ার পর যোগাযোগ করবে। প্রথমে তারা ফোন রিসিভ করলেও এরপর থেকে আর কোনো ফোন রিসিভ করছে না।