কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয় : মহানগর দায়রা জজ

স্টাফ রিপোর্ট :: সিলেট মহানগর দায়রা জজ আব্দুর রহিম বলেন, মেডিকেল সার্টিফিকেট ও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ব্যতীত কোন আসামির জামিন শুনানীতে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়া যায় না। তাই দ্রæত সময়ের মধ্যে মেডিকেল সার্টিফিকেট ও ময়না তদন্ত প্রতিবেদন দ্রুত দাখিল করার জন্য প্রয়োজনীয় নিতে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে তাগিদ দেন তিনি। এসময় তিনি পুলিশের উদ্দেশ্যে বলেন, কোন নিরপরাধ ব্যক্তি যেন অযথা হয়রানীর শিকার না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখার জন্য পুলিশকে সর্তক থাকতে হবে। শনিবার সকালে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি সভায় তিনি এসব কথা বলেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুর রহমানের সঞ্চালনায় সভাপতির বক্তব্যে সিলেট চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আবুল কাশেম বলেন, পুলিশের কাজে আরও গতি বাড়ানো প্রয়োজন। তাহলে আদালতে বিচারাধীন মামলা আরও দ্রæত নিষ্পত্তি করা সম্ভব। এজন্য সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। কোর্ট মালখানা এবং থানার মালখানায় ব্যাপক পরিমাণ জব্দকৃত আলামত রয়েছে। সেইসব আলামত দ্রæত সময়ের মধ্যে নিলাম ও ধ্বংসের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করার জন্য টিম গঠন করে তদারকি করে আদালতকে অবগত করলে দ্রæত সময়ের মধ্যে এগুলো নিষ্পত্তি করা সম্ভব। মাদকের মামলায় নমুনা আলামত রেখে অবশিষ্ট আলামত থানায় ফেলে না রেখে ধ্বংসের করার জন্য আদালতে আবেদন করার জন্য সিলেট মহানগর পুলিশের প্রত্যেক থানার ওসিকে নির্দেশ প্রদান করেন তিনি। এছাড়া আসামিদের পিসি-পিআর সঠিকভাবে যাচাই করে চার্জশিট দাখিল করার পাশাপাশি মহানগর পুলিশের বিভিন্ন থানার গ্রেপ্তারী পরোয়ানাগুলো দ্রæত তামিলের নির্দেশনা দেন বিচারক।
সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার নিশারুল আরিফ বলেন, অভিযোগপত্রে সাক্ষীদের মোবাইল নাম্বার সংযুক্তি, আসামিদের পূর্ব ইতিহাস সঠিকভাবে যাচাই করাসহ তদন্তের বিভিন্ন ত্রæটি-বিচ্যুতির দিকে খেয়াল রাখতে থানার ওসিদের নির্দেশ প্রদান করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ডিসি প্রসিকিউশন (পুলিশ সুপার) মোহাম্মদ জাবেদুর রহমান, পিবিআই সিলেটের পুলিশ সুপার খালেদ-উজ-জামান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এএইচএম মাহফুজুর রহমান, মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি নওসাদ আহমদ চৌধুরীসহ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেসীর বিজ্ঞ বিচারকবৃন্দ, সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার, মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার প্রসিকিউশন এবং বন বিভাগ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, সমাজসেবা অধিদপ্তর, সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।