এক বছরে দেশে এইডসে মৃত্যু ১৪১

এইডস লোগো

একাত্তর ডেস্ক :: দেশে নতুন করে ৬৫৮ জনের শরীরে এইচআইভি এইডস শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে ৭৬ শতাংশ পুরুষ, নারী ২১ শতাংশ ও তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী তিন শতাংশ। নতুন করে আক্রান্তদের মধ্যে বিবাহিতরা সর্বোচ্চ সংখ্যক ৭০ দশমিক শুন্য ৬ শতাংশ আক্রান্ত হয়েছেন। অবিবাহিতদের মধ্যে এই হার ২৩ দশমিক ১৬ শতাংশ। গত এক বছরে এইডস আক্রান্ত ১৪১ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। দেশে এ পর্যন্ত মোট ৮ হাজার ৩২ জনের শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে ১ হাজার ৩৮৩ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। মঙ্গলবার রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে বিশ্ব এইডস দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।
দিবসটি উপলক্ষে অনুষ্ঠানে বিশেষ বিবৃতি দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এতে তিনি বলেন, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশ থেকে এইডস নির্মূল করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সরকার কাজ করছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশে এইডস রোগী বাড়লেও বাংলাদেশে সংক্রমণ ক্রমশ কমছে। করোনাকালেও এইডস আক্রান্ত সেবা পাচ্ছেন। সরকারিভাবে তাদের সব ধরণের চিকিৎসা সেবা ও পরীক্ষা ব্যবস্থা বিনামূল্যে চালু রাখা হয়েছে। এসব কারণে দেশে এইডস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আবদুল মান্নান। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের টিকার বিষয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কথা হচ্ছে। যে টিকাই আগে আসবে, সেটাই আনার চেষ্টা করা হবে। টিকা পাওয়ার অগ্রাধিকারে গণমাধ্যমকর্মীদেরও রাখার কথা জানিয়ে সচিব বলেন, সাংবাদিকরা করোনাভাইরাস মহামারিতে মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন। এ কারণে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তফা কামাল, এসটিডি/এইডস কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর ডা. শামিউল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য দেন।