নারী-শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সাংবাদিকদের সাথে ব্র্যাকের মতবিনিময়

স্টাফ রিপোর্ট :: বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থায় নারী পুরুষের বৈষম্য নতুন নয়। চর্চা আর একটি অংশকে দাবিয়ে রেখে সমাজে ক্ষমতায়ন বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে। শিশুকাল থেকে মানুষের পরিচয়ের আড়ালে নারী-পুরুষ, মেয়ে-ছেলে এই পরিচয়ের বেড়ে উঠছে। এই বেড়ে উঠার সাথে সাথে শিক্ষা ব্যবস্থায় পর্যাপ্ত যৌন সচেতনতামূলক শিক্ষা বাস্তাবায়ন না হওয়াতে ধীরে ধীরে সমাজের নারী শিশু নির্যাতন বেড়ে চলেছে। এই নারী ও শিশুর প্রতি লিঙ্গভিত্তিক নির্যাতন প্রতিরোধে মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে বেশি জোর দেয়ার গুরুত্ব আহবান জানিয়েছেন বক্তারা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর জিন্দাবাজারস্থ একটি অভিজাত হোটেলে সাথে সাংবাদিকদের সাথে ব্রাক কর্মকর্তাদের মতবিনিময় কালে বক্তারা এসব কথা তুলে ধরেন।
বাংলাদেশের এনজিও সংস্থা ব্র্যাক এর সামাজিক ক্ষমতায়ন কর্মসূচির উদ্যোগে ‘নারী ও শিশুর প্রতি জেন্ডারভিত্তিক নির্যাতন প্রতিরোধে পুরুষ এবং কিশোরদের অংশগ্রহণ’ বিষয়ক সাংবাদিকদের সাথে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

ব্র্যাক বিভাগীয় ব্যাবস্থাপক (পিএসইউ) রিপন চন্দ্র মন্ডলের সভাপতিত্বে এবং টেকনিক্যাল ম্যানেজার (জিজেডি) মো. মহসিনের পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন কর্মসূচি সিলেট জেলার ব্যবস্থাপক মুহাম্মদ কায়েম উদ্দিন।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সময় টিভির বিশেষ প্রতিনিধি ইকরামুল কবির, সিলেট প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি আব্দুল কাদের তাপাদার, সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ রেনু, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সহ সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সমকালের সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মুকিত রহমানী, ভোরের কাগজের রিপোর্টার খালেদ আহমদ, দেশ রূপান্তরের রিপোর্টার ফখরুল ইসলাম, সবুজ সিলেটের বার্তা সম্পাদক সাদিকুর রহমান সাকী, সিলেটের ডাকের রিপোর্টার ইউনুছ চৌধুরী, দৈনিক উত্তরপূর্ব’র রিপোর্টার সজল ঘোষ।

অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন দৈনিক জালালাবাদের সিনিয়র রিপোর্টার মুহিবুর রহমান, ডিবিসি নিউজের সিলেট ব্যুরো প্রধান প্রত্যুষ তালুকদার, চ্যানেল ২৪ এর সিলেট ব্যুরো প্রধান গোলজার আহমেদ, ইন্ডিপেনডেন্ট টিভির ব্যুরো প্রধান মঞ্জুর আহমদ, যমুনা টিভির রিপোর্টার মাইদুল ইসলাম রাসেল, প্রথম আলোর রিপোর্টার মানাউবী সিংহ শুভ, একাত্তরের কথা’র স্টাফ রিপোর্টার ইয়াকুব আলী, সমকালের ফটো সাংবাদিক ইউসুফ আলী, যুগান্তরের রিপোর্টার ইয়াহইয়া মারুফ, সিলেট মিরর’র রিপোর্টার মো. নাবিল হোসেন, ডিবিসি টিভির হাসান শিকদার সেলিম, যমুনা টিভির নিরানন্দ পাল, ব্র্যাকের টেকনিক্যাল ম্যানেজার মো. আব্দুল বাতেন, মাঠ সংগঠক বিউটি রায়, মাঠ সংগঠক রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, নারী ও শিশুর প্রতি নির্যাতন প্রতিরোধে একটি সামাজিক বলয় তৈরি করতে হবে। লিঙ্গ বৈষম্য দুরীকরণে পারিবারিক শিক্ষা ও চর্চাকে সবার আগে গুরুত দিতে হবে। পারিবারিক শিক্ষা ও চর্চার পাশাপাশি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং মাদ্রাসাগুলো শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবক সমন্বয় শিক্ষা ও সচেতনতা তৈরি করার গুরুত্ব দেন। বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষকে নিয়ে সভা- সেমিনার ও বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করে মানুষকে সচেতন করে তুলার জন্য ব্র্যাক এবং সরকারের প্রতি আহবান জানান।