তামাবিল সড়কে দু’দফায় ৪ঘন্টা বন্ধ ছিল যান চলাচল

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি :: জৈন্তাপুর উপজেলার সারী বালু মহালের রয়েলটি আদায়কে কেন্দ্র করে দুদফায় অন্তত ৪ঘন্টা সিলেট তামাবিল সড়ক অবরোধ করা হয়। রোববার বিকেল ২টায় সিলেট তামাবিল সড়কের বাঘের সড়ক এবং সন্ধ্যা ৬টায় সারীঘাট দক্ষিণপার এলাকায় দু‘দফা রাস্তা অবরোধ করে হয়। রোববার সিলেট তামাবিল জাফলং মহাসড়কে বাঘেরসড়ক ও সারীঘাট এলাকায় দু-দফা অবরোধ করা হয়। এ সময় রাস্তার উভয় পাশে কয়েক শতাধিক মাল বোঝাই ট্রাক, যাত্রীবাহী বাস, লেগুনা, রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স এবং পর্যটকবাহী গাড়ীসহ নানা রকম যানবাহন আটকা পড়ে। এতে জনসাধারণকে চরম দূর্ভোগের স্বীকার হতে হয়।


জানা গেছে, সারী বালু মহাল ইজারাদার কর্তৃক সরকারী ইজারাকৃত জায়গা থেকে উত্তোলিত বালু ট্রাক দিয়ে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহকালে সরকারী রয়েলটি আদায় করতে ট্রাক গাড়ী থেকে বালু আনলোড করাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ট্রাক মালিক ও ইজারাদারের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ট্রাক মালিকগণ সারীঘাট ও বাঘের সড়ক এলাকায় রাস্তায় অবরোধ করে প্রতিবাদ জানান। সংবাদ পেয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যান। ক্ষুব্দ ট্রাক মালিকগণ ইজারাদের বিরোদ্ধে গাড়ী ভাংচোরের প্রতিবাদ করেন। জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার (ইনচার্জ) মহসিন আলী ঘটনাস্থলে পৌছে উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করেন। ঘটনার বিষয়ে সুষ্টু আশ্বাস দেয়া হলে রাত সাড়ে ৮টায় যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। এসময় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল আহমদ ও নির্বাহী অফিসার নাহীদা পারভীনের গাড়ী আটকা পড়ে।

ঘটনার বিষয়ে ইজারাদার এস এ এন্টারপ্রাইজের ব্যবাসয়িক পার্টনার আব্দুর রহমান জানান, সরকারী বালু মহালে রয়েলটি পরিশোধ না করায় আমরা গাড়ী থেকে বালু আনলোড করেছি। তিনি জানান গোয়াইনঘাট এলাকার কিছু সংখ্যক ট্রাক শ্রমিক এবং মালিকগণ রাস্তা অবরোধ করেছেন।
এ দিকে জৈন্তাপুর ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি নূরুল হক নুুরু বলেন, জৈন্তাপুর উপজেলার কোন ট্রাক শ্রমিক রাস্তা অবরোধ করার সাথে জড়িত নয়।
এ ব্যপারে জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ইনচার্জ) মহসিন আলী জানান, মূলত সারী বালু মহালের রয়েলটি আদায়কে কেন্দ্র ইজারাদার ও কিছু ট্রাক শ্রমিক ও মালিক দু-দফা রাস্তা অবরোধ করেন।