মণিপুরী ছাত্র সমিতির মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

সিলেট বিভাগের ছয়টি পৃথক কেন্দ্রে বাংলাদেশ মণিপুরি ছাত্র সমিতি (বামছাস) এর আয়োজনে মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভাগের সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জের ছয়টি পৃথক কেন্দ্রে এক যোগে মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেন তিন শতাধিক শিক্ষার্থী।
শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় প্রাথমিক পর্যায়ের পঞ্চম শ্রেণী ও মাধ্যমিক পর্যায়ে অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। কেন্দ্রগুলো হল সিলেটের রাজা জি সি উচ্চ বিদ্যালয়, হবিগঞ্জের চুনারুঘাট আঁবাদ গাঁও, মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর, শ্রীমঙ্গল উপজেলার রামনগর, জুড়ি উপজেলার ছোট ধামাই, কুলাউড়া উপজেলার কর্মধার ভান্ডারীগাঁও কেন্দ্রে মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সাধারণ বিজ্ঞান, বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে প্রশ্ন ছিলো। আগামি ৪৫ দিনের মধ্যে মেধাবৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল নির্ণয়ের কথা রয়েছে।
আয়োজক সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, মণিপুরী ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ মণিপুরী ছাত্র সমিতি (বামছাস) ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর ১৯৯১ সাল থেকে প্রাথমিকের পঞ্চম ও ১৯৯৫ সাল থেকে মাধ্যমিকের অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের নিয়ে মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ‘প্রাইমারি ও জুনিয়র স্কলারশিপ পরীক্ষা’ পরিচালনা করে আসছে।
বিভাগের ছয়টি কেন্দ্রে এক যোগে সফলভাবে মেধাবৃত্তি পরীক্ষা পরিচালনায় সহযোগী সকলকে বামছাস কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন সংগঠনের স্কলারশিপ পরীক্ষা পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান পুস্প দেবী সন্দীপা ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হিজম সুশীল।
তাঁরা বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে কঠোর স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করে আমরা ‘প্রাইমারী ও জুনিয়র স্কলারশীপ পরীক্ষা’ আয়োজন করতে যারা সহযোগীতা করেছেন তাদের সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।
বামছাস এর প্রধান উপদেষ্টা ও পৃষ্ঠপোষক অসেম সত্যজিৎ, এল নন্দলাল এবং উত্তম সিংহ রতন, বামছাস কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এস. কেশব সিংহ, কোষাধ্যক্ষ খৈশনাম রজত, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক এম. মুকেশ, সাংগঠনিক সম্পাদক হিজম কৃষান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মাইবম দর্পণ সিংহসহ যারা স্কলারশিপ পরীক্ষায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন তাঁদের প্রত্যেককে বামছাস কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। -প্রেসরিলিজ