সিলেট শিল্পকলায় নবান্ন উৎসব

একাত্তর ডেস্ক :: নবান্ন উৎসব বাঙালি সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। আবহমানকাল ধরে বাঙালি অধ্যুষিত জনপদে সার্বজনীন ও অসাম্প্রদায়িক এ উৎসবটি পালিত হয়ে আসছে। আর এই ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতিকে সংরক্ষণের লক্ষ্যে জেলা শিল্পকলা একাডেমি সিলেটের উদ্যোগে মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে উদ্যাপিত হয় নবান্ন উৎসব ১৪২৭। বৈশি^ক মহামারী করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে দীর্ঘদিন মঞ্চে অনুষ্ঠান আয়োজন সম্ভব হয়নি। সেই সময়ে অনলাইন বা ভার্চুয়াল আয়োজনই ছিল একমাত্র ভরসা। কোভিড-১৯ এর সংকট কাটিয়ে উঠার দৃঢ় মনোবল নিয়ে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ সাপেক্ষে শিল্পকলা একাডেমির মঞ্চে ১লা অগ্রহায়ণ সোমবার উদ্যাপিত হয় বাঙালির চিরায়ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নবান্ন উৎসব।

জেলা কালচারাল কর্মকর্তা অসিত বরণ দাশ গুপ্ত’র সভাপতিত্বে এতে আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্য রাখেন নাট্যব্যক্তিত্ব ও সিলেট মহানগর মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের প্রাক্তন কমান্ডার ভবতোষ রায় বর্মণ; সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট সিলেটের সাধারণ সম্পাদক গৌতম চক্রবর্ত্তী; জেলা শিল্পকলা একাডেমির সংগীত সাধারণ বিভাগের প্রশিক্ষক প্রতীক এন্দ; সংগীত শিশু বিভাগের প্রশিক্ষক অরুণ কান্তি তালুকদার এবং নৃত্য সাধারণ বিভাগের প্রশিক্ষক শিনিয়া সাহা ঝুমা। একাডেমির আবৃত্তি বিভাগের প্রশিক্ষণার্থী নাফিসা তানজীনের পরিচালনায় নবান্ন ও ঋতু ভিত্তিক বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্যে দলীয় পরিবেশনায় ছিলেন জেলা শিল্পকলা একাডেমি সংগীত ও নৃত্য বিভাগের শিশু ও সাধারণ দল এবং ছন্দনৃত্যালয় সিলেট; একক সংগীতে বাউল সূর্য্যলাল দাস, গৌতম চক্রবর্ত্তী ও তন্বী দেব এবং একক নৃত্যে শ্রæতি ঘোষের পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে।