পেরুর অন্তরবর্তীকালীন প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক :: দায়িত্ব গ্রহণের এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মাথায় পদত্যাগ করেছেন দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুর অন্তরবর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ম্যানুয়েল মেরিনো। মাত্র পাঁচ দিন অফিস করেছেন তিনি। এরই মধ্যে ক্যু-র মাধ্যমে ক্ষমতা গ্রহণের অভিযোগ এনে সরকারবিরোধী আন্দোলন শুরু হয়। এই আন্দোলন দামাতে গিয়ে দুই বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর পর রোববার তিনি পদত্যাগ করেন।
এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর ম্যানুয়েল মেরিনো মাত্র পাঁচ দিন অফিস করেছেন। ম্যানুয়েল মেরিনো-র পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভের একদিনের মাথায় পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি। ওই বিক্ষোভ দমনে অ্যাকশনে গিয়েছিল পুলিশ। তবে দুই বিক্ষোভকারী নিহত এবং আরও কয়েক ডজন আন্দোলনকারী আহত হওয়ার ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়েন মেরিনো।
সমালোচনার মুখে রোববার টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি। ম্যানুয়েল মেরিনো বলেন, ‘পুরো দেশকে জানাতে চাই যে, আমি পদত্যাগ করছি।’
নিজের পদত্যাগের সিদ্ধান্তে অনড় থাকার কথা জানিয়ে দেশবাসীর প্রতি শান্তি ও জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহবান জানান তিনি।
মঙ্গলবার পেরুর অন্তরবর্তীকালীন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন ম্যানুয়েল মেরিনো। তার পূর্বসূরি মার্টিন ভিজকারার বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠলে তাকে অপসারণের পক্ষে রায় দেয় দেশটির বিরোধী দল নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেস। তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভিজকারা।
ভিজকারার পদত্যাগের পর দায়িত্ব নিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েন ম্যানুয়েল মেরিনো।
আন্দোলনকারীদের দাবী সম্পর্কে জানা যায়, পার্লামেন্টারি ক্যু-র মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় এসেছেন মেরিনো। ফলে তার পদত্যাগের দাবিতে রাজপথে জোরালো অবস্থান নেয় তারা। শনিবার রাত পর্যন্ত বিক্ষোভ মোটাদাগে শান্তিপূর্ণ ছিল। তবে এক পর্যায়ে নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ওপর শক্তি প্রয়োগ করলে পরিস্থিতি বদলে যেতে শুরু করে।
সুত্র : সিএনএন, আল জাজিরা