কমলগঞ্জে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব

কমলগঞ্জ সংবাদদাতা :: চা বাগান ও বনাঞ্চল অধ্যুষিত মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে। এদের মধ্যে বেশিরভাগ শিশু ও বয়স্করা আক্রান্ত হচ্ছে। ঋতু পরিবর্তনে আবহাওয়ার তারতম্যজনিত কারনে সর্দি, জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। করোনাকালীন সময়ে এসব উপসর্গ সচেতন মহলের কেউ কেউ উদ্বিগ্ন রয়েছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, সম্প্রতি বৃষ্টিপাতের পর দু’দিন হঠ্যাৎ প্রচন্ড ঠান্ডা তারপর আবার আবহাওয়ার কিছু পরিবর্তন। চা বাগান ও বনাঞ্চল এলাকা থাকায় এখানে অন্য স্থানের তুলনায় ঠান্ডা বেশি অনুভুত হয়। এ সময়ে অনেকের মধ্যে সর্দি, জ্বর, কাশি, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট এবং মাঝে মধ্যে ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাবেও কেউ কেউ আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও বয়স্করাই বেশি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও প্রাইভেট চিকিৎসকদের সাথে কথা বলে এ চিত্র পাওয়া গেছে। গত ৯ মাস ধরে করোনা মহামারীর কারণে মানুষের মধ্যে উদ্বেগ উৎকন্ঠা রয়েছে। এরমধ্যে করোনা উপসর্গজনিত এসব প্রাদুর্ভাব সচেতন মহলের কেউ কেউ চিন্তিত।

শমশেরনগরের কবি ডা. আব্দুস শহীদ সাগ্নিক, কলেজ শিক্ষক জমসেদ আলী, কমলগঞ্জের ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, করোনাকালীন এই সময়ে এসব উপসর্গ সহজভাবে দেখা ঠিক নয়। আবহাওয়া পরিবর্তনজনিত কারণে সর্দি, জ্বর, কাশি, নিউমোনিয়ায় অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন। এসব বিষয়ে যথাসময়ে সঠিক চিকিৎসা ও সচেতনতার কোন বিকল্প নেই। শমশেরনগরের পল্লী চিকিৎসক পিন্টু দেবনাথ বলেন, এখন বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিশু ও বয়স্কদের সর্দি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়া জনিত রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে। এসব রোগীদেরই বেশি পাওয়া যাচ্ছে। কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহবুবুল আলম ভুঁইয়া বলেন, আবহাওয়া পরিবর্তন জনিত কারনে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। হাসপাতালে এধরণের রোগী বেশি পাওয়া যাচ্ছে। তবে স্বাস্থ্য বিভাগ সার্বক্ষনিক নজর রাখছে ও গুরুত্বসহকারে চিকিৎসা প্রদান করছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে লোকজন করোনা পরীক্ষা না করায় করোনা রোগীর বিষয়েও সঠিক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।

এক/এক