দক্ষিণ সুরমার পানিগাঁও নিশ্চিত হলো শতভাগ স্বাক্ষরতা

দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধি :: বেসরকারি উদ্যোগে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের পানিগাঁও গ্রামে শতভাগ স্বাক্ষরতা নিশ্চিত হয়েছে। গ্রামের যুবকরা তিনমাস প্রচেষ্টা চালিয়ে গ্রামে শতভাগ স্বাক্ষরতার হার নিশ্চিত করেন।
দক্ষিণ সুরমা উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড। দুইটি গ্রাম (ঝাপা- পানিগাঁও) নিয়ে এ ওয়ার্ড। ঝাপা গ্রামে উন্নয়ন যতটা হয়েছে, সে তুলনায় পানিগাঁও গ্রামে উন্নয়ন হয়নি। গ্রামের প্রবাসী ও যুবকরা চেষ্টা চালান গ্রাম উন্নয়নের পাশাপাশি নিরক্ষরতা দূরীকরণের। আর শতভাগ স্বাক্ষরতার এ প্রচেষ্টায় তারা সফল হয়েছেন।
দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মধ্যে প্রথম শতভাগ স্বাক্ষরতার গ্রাম পানিগাঁও। শতভাগ স্বাক্ষরতার হার নিশ্চিত হওয়ায় পানিগাঁও গ্রামে আনন্দ অনুষ্ঠান ১৯ অক্টোবর সকালে পানিগাঁও প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সম্পন্ন হয়েছে। পানিগাঁও বায়তুল মুয়াজ্জেম জামে মসজিদের সাবেক মোতায়াল্লি মাওলানা আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিন্টু চৌধুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান ও দাউদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিকুল হক।
আদর্শ গ্রামের কার্যনির্বাহী সদস্য আব্দুর রাজ্জাকের সঞ্চালনায় এবং ফয়জুল ইসলামের কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সূচিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পানিগাঁও প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাওলানা সিরাজুল হক শায়েস্তা, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম ইমরান, দাউদপুর ইউনিয়ন হ্যাল্পিং হ্যান্ডসের মূখপাত্র জাহাঙ্গীর সামী, পানিগাঁও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সদস্য খলকুজ্জামান, মাসুক মিয়া, খবির উদ্দীন, পানিগাঁও বায়তুল মুয়াজ্জেম জামে মসজিদের মুতাওয়াল্লী আব্দুল মালিক, ইমাম ও খতিব মাওলানা শহিদুল হক, মাসিক দক্ষিণ সুরমা দর্পণের সম্পাদক সুহেল আহমদ, ফখরুল আলম ও জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ স্কুলের শিক্ষক সরফুল হোসেন। উপস্থিত ছিলেন আদর্শ গ্রামের সদস্য সচিব রেদ্বওয়ান আহমদ, কার্যনির্বাহী সদস্য আব্দুস সামাদ, আলতাফ হোসেন, করিমুল ইহসান, মকসুদুর রহমান, মিজানুর রহমান, ফাহিম উদ্দীন অর্জয়, জয়নুল হাসান, মাহতাবুর রহমান সোহাগ, আব্দুল আজিজ, আবু তাহের, আবু বকর, সাইফুদ্দীন, জাহাঙ্গীর আলম, জুনেদুর রহমান প্রমুখ।
আলাপকালে গ্রামের বাসিন্দা সাংবাদিক আশরাফুল ইসলাম ইমরান জানান, গ্রামের যুবকরা তিনমাস চেষ্টা করে গ্রাম শতভাগ স্বাক্ষরতার হার নিশ্চিত করেছেন। দক্ষিণ সৃুরমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিন্টু চৌধুরী বলেন, বেসরকারি উদ্যোগে গ্রামকে স্বাক্ষরতার হার শতভাগ নিশ্চিত করা একটা মহৎ কাজ। শুধু সরকারের দিকে চেয়ে থাকলে চলবেনা। নিজেদেরকেও দেশের জন্য এগিয়ে আসতে হবে।