ফ্রান্স প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার আশীদ্রোন ইউনিয়নের আমানতপুর গ্রামের ফ্রান্স প্রবাসী আব্দুল বাছিতের বাড়ীতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংগঠিত হয়েছে। ডাকাতরা ৫ ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার, নগদ ৫ লাখ টাকা, ২টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল সেট ও মূল্যবান মালামাল লুট করেছে।
রোববার দিবাগত রাত দুইটারদিকে ডাকাতির এ ঘটনা ঘঠে। এদিকে পুলিশ ঘটনার পরপরই খবর পেয়ে শ্রীমঙ্গল থানার ওসি মো. আব্দুছ ছালেকসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। সাতগাঁও লছনা এলাকায় ঝটিকা অভিযান চালিয়ে পুলিশ সদস্যরা সন্দেহভাজন এক ডাকাতকে আটক করে তার কাছ থেকে নগদ ১২ হাজার টাকা উদ্ধার করেন। ফ্রান্স প্রবাসী আব্দুল বাছিত মুঠোফোনে জানান, রোববার দিবাগত রাত দুইটারদিকে ৬/৭ জনের ডাকাতদল পাকাঘরের গ্রীল কেটে ঘরে প্রবেশ করে। পরিবারের লোকজনের গলায় ছুরি ধরে চিৎকার করতে নিষেধ করে। তিন ডাকাত তাদের হাত পা বেঁধে জিম্মি করে একটি রুমে আটকে রেখে ঘরের আলমারীতে রক্ষিত নগদ ৫ লাখ টাকা, ৫ ভরি ওজনের স্বর্ণলংকার, ১টি আইফোন-১১, অ্যান্ড্রয়েড সেট ২টিসহ কাপড়-চোপড় লুট করে। তিনি জানান, এদিন আমার স্ত্রী-সন্তান বাড়ীতে ছিলো না। বাছিতের পিতা শহরের সেন্ট্রাল রোডের ব্যবসায়ী সিরাজ মিয়া জানান, অস্ত্রসহ মুখোশ পরা ডাকাতের সংখ্যা ছিল ৬ থেকে ৭ জন। ঘরের ভিতরে তিন ডাকাত প্রবেশ করে সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে একটি রুমে আটকে রাখে। তিনি জানান, তার স্ত্রী এক ডাকাতকে চিনে ফেলেন। সে শনিবার দিনের বেলা ভ্যান গাড়ী করে প্লাস্টিকের মালামাল বিক্রি করতে তাদের বাড়ীতে আসে। তার কাছ থেকে সিরাজ মিয়ার স্ত্রী প্লাস্টিকের মালামালও কেনেন। তাছাড়া ডাকাতদের মুখের ভাষা ছিল হবিগঞ্জের আঞ্চলিক ভাষার মতো। ডাকাতিকালে তাদের কাছে ছিল রামদা, দা, চাকুসহ দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র।
শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনর্চাজ আব্দুছ ছালেক বলেন, অভিযান চালিয়ে সাতগাঁও চা-বাগনের লছনা এলাকা থেকে এক ডাকাত আটক করেছি এবং তার নিকট থেকে নগদ ১২ হাজার টাকা উদ্ধার করেছি। তিনি জানান, খুব তাড়াতাড়ি অন্যান্য ডাকাতদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে বলে মনে করছি। অভিযান অব্যাহত আছে।