আজমিরীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে ১২টি দোকান পুড়ে ছাই

আজমিরীগঞ্জ প্রতিনিধি :: হবিগঞ্জের আজমিরিগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১২ টি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এছাড়া আগুণ নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠা ভেঙে ফেলা হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আন্তত অর্ধকোটি টাকার বেশী ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়িরা। সোমবার বিকেল পৌণে ৩টায় আজমিরীগঞ্জ লালমিয়া বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীসূত্রে জানা যায়- লালমিয়া বাজারের ব্যবসায়ী মখলিছ মিয়ার পেট্রোলের দোকানে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের মাধ্যমে আগুণের সূত্রপাত হয়। নিমেষেই আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে পাশের বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে পড়ে। আগুন নিয়ন্ত্রণে স্থানীয়রা আপ্রাণ চেষ্টা চালান। প্রায় ২ ঘন্টার চেষ্টায় অবশেষে সেলু পাম্পের মাধ্যমে আগুণ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। কিন্তু এর মধ্যে অন্তত ১২টি প্রতিষ্ঠান পুড়ে সম্পূর্ণ ছাই হয়ে যায়। এছাড়া আগুণ নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভেঙে ফেলা হয়। আগুণ নিয়ন্ত্রণে আসার পর হবিগঞ্জ থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
ব্যবসায়িদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তাদের অন্তত অর্ধকোটি টাকার বেশী ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। পুড়ে যাওয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে- মখলিছ মিয়ার পেট্রোলের দোকান, সেন্টু আহমেদের সাইকেলসহ বিভিন্ন পার্সের দোকান, সফিকুল মিয়া এবং সুরনজিত সূত্রধরের মোটর সাইকেল সার্ভিসিং সেন্টার,উপান্দের দোকান, অজিত সুত্রধর, রাংকুু সুত্রধর, অভিমন্য সূত্রধর, শংকর সুত্রধরের ফার্নিচার তৈরির দোকান, জামাল মিয়ার কম্পিউটারের দোকান,প্রমতোষের ফটো স্টুডিও সহ বেশ কটি দোকান।
ঘটনার খবর পেয়ে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মতিউর রহমান খান, উপজেলা সহকারি কমিশিনার (ভুমি) উত্তম কুমার দাশ ও পৌর প্রশাসক গোলাম ফারুক, উপজেলা আওয়ামী লীগের (ভারপ্রাপ্ত) সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার আলী সহ প্রশাসনের কর্মকর্তার ও জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়িদের আর্থিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মতিউর রহমান খান।
এ বিষয়ে নির্বাহী অফিসার মতিউর রহমান খাঁন বলেন- খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জেনে আমরা দ্রæত জেলা প্রশাসক বরাবর আজই পাঠানোর ব্যবস্থা চেষ্টা করবো।