শৌচাগারের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্ট :: সিলেট সদর উপজেলার খাদিমনগরে শৌচাগারের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। কোন রকম টেন্ডার প্রক্রিয়া ছাড়াই শৌচাগার থেকে টাকা উত্তোলন করছেন ইউপি সদস্য নাজিম উদ্দিন ইমরান। সরকারিভাবে পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা হলেও এতে পাথর ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নির্মাণ সামগ্রী আদায় করে নেয়া হয়। ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নির্মাণ সামগ্রী নেয়ার পরেও শৌচাগারের ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ টাকা। অথচ এই পাবলিক টয়লেট থেকে ইউনিয়নের কোন আয় নেই বলে একটি সূত্র জানায়। জানা গেছে, ২০১৪ সালে এল.জি.এস.পি-২ খাতে ২ লাখ টাকা ব্যয়ে ইউনিয়নের ধোপাগুল পয়েন্টে সরকারীভাবে শৌচাগার নির্মান করা হয়। রাতারগুল ও ধোপাগুল পাথর জোন এলাকার পর্যটকদের সুবিধার্থে এ শৌচাগার নির্মান করা হয়েছিল। প্রতিদিন পর্যটকসহ প্রায় শতাধিক লোকজন শৌচাগার ব্যবহার করে থাকেন।
নারায়ণ নামের এক ব্যক্তিকে দিয়ে প্রতিদিন শৌচাগারের টাকা তুলা হয়। সেই টাকা থেকে প্রতিদিন ইউপি মেম্বার নাজিম উদ্দিন ইমরানের হাতে ৩শ’টাকা করে দেন তারা । এই টাকার ভাগপান ইউপি চেয়ারম্যান এমন অভিযোগ উঠে। খাদিমনগরের বাসিন্দা গোলাম আযম জয় বলেন, সরকারি কোন সম্পত্তি ইজারা দিতে হলে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে। কিন্তু খাদিমনগরে পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা হলেও এটা ইজারা না দিয়ে গোপনে নারায়ণ দত্ত নামের এক ব্যক্তিকে দেয়া হয়েছে। পাবলিক টয়লেট থেকে আয়কৃত টাকা ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন ও মেম্বার মিলে ভাগভাটোয়ারা করে নেন। যার কারণে রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। আমি এই রকম ব্যবস্থাপনার প্রতি ক্ষোভ ও নিন্দা জানাই। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আর্কষণ করছি। এ ব্যাপারে ইউপি ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার নাজিম উদ্দিন ইমরান বলেন, টয়লেট যথারীতি নিলামে দেয়া হলে নারায়ন নামের এক ব্যক্তিকে মাসে আড়াই হাজার টাকা করে ইউনিয়নের তহবিলে জমা দেন এবং তা ইউনিয়নের উন্নয়ন খাতে ব্যয় করা হয়। তবে ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন নিলামের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও পানি সরবরাহের জন্য নারায়ন টাকা উত্তোলন করে থাকে। ইউনিয়ন থেকে এ শৌচাগার নিলাম দেয়া হয়নি এবং এর কোন টাকা ইউনিয়নের তহবিলে জমা দেয়া হয় না।
বিমানবন্দর থানা স্টোনক্রাশার মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নাছির উদ্দিন বলেন, জনস্বার্থে আমরা অনেক কাজে সহযোগীতা করে থাকি। ধোপাগুল পাবলিক টয়লেট নির্মাণের সময় আমরা পাথরসহ বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে সহযোগীতা করেছি।