সহায়তা প্রত্যাহার করেছে কিডনি ফাউন্ডেশন

করোনা আইসোলেশন সেন্টার

স্টাফ রিপোর্ট
সিলেটে সরকারী সহায়তা না পাওয়ায় কিডনি ফাউন্ডেশন করোনা আইসোলেশন সেন্টার প্রত্যাহার করে নিয়েছে। দীর্ঘ ৫মাস সিলেট শহরতলীর খাদিমনগরের ৩১ বেড ও দক্ষিণ সুরমার ৫০ বেডের হাসপাতালে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি দিয়ে দুটি আইসোলেশন সেন্টার চালু করা হয়। সরকারের স্বাস্থ্য বিষয়ক কমিটিসহ অন্যান্য দফতর দুটি আইসোলেশন সেন্টারের রোগী, অস্থায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকল খরচ সরকারি করোনা আইসোলেশন হাসপাতালের জন্য অনুমোদন এবং অনুদানের কথার ছিল। কিন্তু স্বাস্থ্য বিভাগ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এমনকি সরকারি চিকিৎসক ও কর্মচারিদের খাবারের ব্যবস্থা কিডনি ফাউন্ডেশন যাকাত ফান্ডের টাকা দিয়ে পরিচালিত।
কিডনি ফাউন্ডেশন জানায়, দুটি আইসোলেশনের বিভিন্ন পর্যায়ে ৪০জন কর্মকর্তা-কর্মচারি বেতন, ভাতাসহ সব ধরণের ব্যয় বহন করতে হয়েছে কিডনি ফাউন্ডেশন সিলেটের। এমনকি আইসোলেশন সেন্টার চালু রাখার জন্য ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ স্বাস্থ্য দফতরে আবেদন করেও কোন অনুদান পাননি। যার কারণেই আইসোলেশন পরিচালনা করার জন্য সাহায্য ফান্ড না থাকায় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিডনি ফাউন্ডেশন খাদিম নগর হাসপাতালের সকল যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামাদি ক্রয় করতে ব্যয় হয় ১১ লাখ ৩০ হাজার এবং দক্ষিণ সুরামার হাসপাতালের আইসোলেশন ক্যাম্প চালু করতে ব্যয় হয় ১১ লাখ ১৪ হাজার টাকা। এছাড়াও চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারি বেতন-ভাতা, আবাসন ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন খাতে খরচ হয় ৬ লাখ টাকাসহ মোট খরচ হয় ৪৭ লাখ টাকা।
বিষয়টিন নিশ্চিত করেন সিলেট কিডনি ফাউন্ডেশনের জেনারেল সেক্রেটারী কর্ণেল আব্দুস সালাম (অব:) বীর প্রতীক। তিনি বলেন, ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি বোর্ড আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে খাদিমনগরের ও দক্ষিণ সুরমার দুটি আইসোলেশন সেন্টার সহায়তা দেয়া সম্ভব হবে না বলে মনে করেন। এসব আইসোলেশন সেন্টারের সব সরঞ্জামাদি দুটি হাসপাতালে দান করা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।