পাহাড় ও রাস্তা কেটে ৫ গ্রামবাসীর চলাচলে প্রতিবন্ধকতা

নাজমুল ইসলাম, জৈন্তাপুর
সিলেটের জৈন্তাপুরে পাহাড় ও রাস্তা কেটে ৫ গ্রামের মানুষের চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে এক ব্যক্তি। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী। সরেজমিনে গিয়ে দেখা য়ায়, জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্ধা হর্নি নয়াগ্রামের মৃত মোবারক আলীর ছেলে মো. আব্দুল হান্নান (৫২) গ্রামবাসীর চলাচলের রাস্তা ও পাহাড় কেটে উত্তর কালিঞ্জি, মধ্য কলিঞ্জি, দক্ষিণ কালিঞ্জি, নয়াগ্রাম এবং হর্ণি গ্রামের মানুষজন, স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসাগামী ছাত্রছাত্রীদের চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। গ্রামের বাসিন্ধা মুছব্বির আলী, নূর উদ্দিন, ইসলাম উদ্দিন, আব্দুস শুকুর, কবির আহমদ, আব্দুল মালিক, ফরিদ আহমদ সহ প্রায় শতাধিক ব্যক্তি জানান একটি কুচক্রি মহলের শলা পরামর্শে আব্দুল হান্নানের পরিবারের একাধিক বাড়ী থাকার পরেও গ্রামবাসীদের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে চলাচলের রাস্তা সহ পাহাড় কর্তন করছে। যার ফলে ৫টি গ্রামের মানুষের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। হর্ণি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে প্রায় ৫০ গজ সামনে যাওয়ার পর আব্দুল হান্নানের জমি হওয়াতে সে পাহাড় কর্তন করছে এবং গ্রামবাসী চলাচলের রাস্তাটি বিলিন করছে। স্থানীয় ভাবে একাধিক বার থাকে অনুরোধ করা হলেও সে বিষয়টি কর্ণপাত করছে না। গ্রামবাসী উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন করেছে। এলাকাবাসীর দাবী হান্নানের এহেন কর্মকান্ডে এবং পাহাড় কাটার কারনে কাটাগাং নদীর ভাঙন বৃদ্ধি পাবে। এলাকার রাস্তাসহ কয়েকটি বাড়ি নদীগর্ভে বিলিন হতে পারে। পাহাড় ও রাস্তা কর্তনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে ৫ গ্রামের বসবাসকারী জনসাধারণের চলাচল রোগী বহন এবং স্কুল কলেজ মাদ্রাসাগামী ছাত্রছাত্রীদের চলাচলে মারাত্মক অসুবিধা সৃষ্টি হবে।
অভিযুক্ত আব্দুল হান্নান প্রতিবেদককে জানান, এদিকে সরকারী কোন রাস্তা নেই, আমার বাড়ী তৈরী করার জন্য পাহাড় কর্তন করছি। পাহাড় কাটার অনুমতি নিয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, নিজের ভূমিতে বাড়ী নির্মাণ করব সেখানে প্রশাসনের অনুমতির প্রয়োজন পড়ে কি না জানা নেই।
এবিষয়ে জানতে নিজপাট ইউপির ৬নং ওয়ার্ড সদস্য মুজিবুর রহমান (মুজি মেম্বার) বলেন, আমি বিষয়টি সরেজমিনে গিয়ে দেখেছি। পাহাড় কাটার বিষয়টি সটিক তবে জনসাধারন চলাচলের রাস্তার বিষয় দ্রæত সমাধান করা হবে। পরিবেশের ক্ষতি সাধন করে পাহাড় কাটার বিষয়টি আপনি কি হিসাবে দেখছেন প্রশ্ন করা হলে তিনি এড়িয়ে যান।
জানতে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার ভূমি মো. ফারুক আহমদ বলেন, আমি ছুটিতে আছি, বিষয়টি তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।